প্রকাশিত:
১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

খাদ্য মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আলোকে নগদ ক্রয় চুক্তি ‘জিটুজি-০২’-এর অধীনে এই গম আমদানি করা হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় মোট ২ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন গম আমদানি করার কথা রয়েছে।
শনিবার আসা এই চালানটি চুক্তির তৃতীয় কিস্তি। এর আগে প্রথম ও দ্বিতীয় চালানে মোট ১ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ মেট্রিক টন গম দেশে এসে পৌঁছেছে। উল্লেখ্য যে, এর আগে ‘জিটুজি-০১’ চুক্তির আওতায় নির্ধারিত ২ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন গম আমদানির প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
চট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে জানা গেছে, জাহাজে থাকা গমের নমুনা সংগ্রহের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষার মাধ্যমে মান নিশ্চিত হওয়ার পরপরই গম খালাসের কাজ শুরু হবে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই খাদ্যশস্য সরকারি গুদামগুলোতে পৌঁছে দেওয়ার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্ববাজারে খাদ্যশস্যের অস্থিরতার মাঝে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই সরাসরি ক্রয় চুক্তি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ মজুতকে শক্তিশালী করবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সরকারি পর্যায়ে এই আমদানির ফলে বাজারে গমের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে এবং দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক হবে।