প্রকাশিত:
১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

গতকাল শনিবার মেলা প্রাঙ্গণে আয়োজিত বর্ণাঢ্য সমাপনী অনুষ্ঠানে এই পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাট এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। তাঁর কাছ থেকে কারা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত কারা মহাপরিদর্শক কর্নেল মো. মেছবাহুল আলম সেলিম প্রথম পুরস্কারের ক্রেস্ট ও সনদ গ্রহণ করেন।
এ সময় কারা অধিদপ্তরের সহকারী কারা মহাপরিদর্শক (উৎপাদন) এ কে এম মাসুম এবং কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার পার্ট-২-এর সিনিয়র জেল সুপার আল মামুনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এবারের মেলায় সাধারণ দর্শনার্থীদের কাছে অন্যতম মূল আকর্ষণ ছিল কারা প্যাভিলিয়নটি। দেশের ৩৮টি কারাগারের বন্দীদের নিপুণ হাতে তৈরি ৪০২ প্রকার বৈচিত্র্যময় পণ্য এখানে প্রদর্শন ও বিক্রি করা হয়। বিশেষ করে হস্ত ও কারুশিল্পের পণ্যগুলো নজর কেড়েছে সবার।
বিক্রির পরিসংখ্যান: মোট বিক্রি ৭০ লাখ ২৮ হাজার ৭০৩ টাকা। এটি বাণিজ্য মেলার ইতিহাসে কারা প্যাভিলিয়ন থেকে পণ্য বিক্রির সর্বোচ্চ রেকর্ড।
কারা কর্মকর্তাদের মতে, এই পুরস্কার কেবল একটি স্বীকৃতি নয়, বরং বন্দীদের সৃজনশীলতা ও পরিশ্রমের ফসল। কারাগারে থেকে উৎপাদিত পণ্য বিক্রির মাধ্যমে উপার্জিত অর্থের একটি অংশ সংশ্লিষ্ট বন্দীদের দেওয়া হয়, যা তাদের পুনর্বাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পণ্যের মান ও নকশায় আধুনিকতার ছোঁয়া থাকায় মেলা চলাকালীন প্রতিদিন প্যাভিলিয়নটিতে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।