প্রকাশিত:
১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের (MEA) চাহিদা অনুযায়ী প্রতিবছর প্রতিবেশী দেশগুলোকে উন্নয়ন সহায়তা প্রদান করে নয়াদিল্লি। গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দের পরিমাণ ছিল ৩৪ কোটি ৪৮ লাখ রুপি। সেই তুলনায় এবার বরাদ্দ ৭৪ শতাংশ বাড়লেও দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় প্রাপ্ত অংকে সবার নিচে রয়েছে বাংলাদেশ।
বাজেট নথি অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের সর্বোচ্চ সহায়তা পাচ্ছে ভুটান। দেশটির জন্য ২ হাজার ২৮৮ কোটি ৫৬ লাখ রুপি বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এছাড়া নেপাল ৮০০ কোটি, মালদ্বীপ ৫৫০ কোটি এবং শ্রীলঙ্কা ৪০০ কোটি রুপি সহায়তা পাচ্ছে। এমনকি মিয়ানমার (৩০০ কোটি) এবং আফগানিস্তানও (১৫০ কোটি) বাংলাদেশের চেয়ে বেশি বরাদ্দ পেয়েছে।
গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেটে বাংলাদেশের জন্য ১২০ কোটি রুপি বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছিল। কিন্তু বছর শেষে সংশোধিত বাজেটে তা কমিয়ে মাত্র ৩৪.৪৮ কোটিতে নামিয়ে আনা হয়। বিশ্লেষকদের মতে, উন্নয়ন সহযোগীদের পক্ষ থেকে অনুদান কমে যাওয়া এবং ঋণের ওপর নির্ভরতা বৃদ্ধির যে বৈশ্বিক প্রবণতা, তার প্রভাব ভারতের এই বরাদ্দেও স্পষ্ট।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ার কারণে অনেক দেশই এখন সরাসরি অনুদানের বদলে অনমনীয় শর্তে ঋণ দিচ্ছে। ভারতও গত এক দশকে বাংলাদেশকে অনুদানের চেয়ে 'লাইন অব ক্রেডিট' (এলওসি)-এর আওতায় বড় অংকের ঋণ দেওয়ার দিকে বেশি মনোযোগ দিয়েছে।