প্রকাশিত:
৩১ জানুয়ারী, ২০২৬

নিয়ামুল মুক্তা জানিয়েছেন, ২০২৩ সালে মুক্তি পাওয়া ‘রক্তজবা’ সিনেমার প্রকৃত চিত্রনাট্যকার মুহাম্মাদ তাসনীমুল হাসান তাজ। তাজ ছবিটিতে সহকারী পরিচালক হিসেবেও কাজ করেছেন। গণমাধ্যমে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় নিয়ামুল মুক্তা বলেন, "এই সিনেমার চিত্রনাট্য আমার লেখা নয়। চিত্রনাট্য লিখেছেন মুহাম্মাদ তাসনীমুল হাসান তাজ। আমি যে কাজ করিনি, তার জন্য পুরস্কার গ্রহণ করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। আমি চাই তাজ-ই এই সম্মান পাক।"
সিনেমার টাইটেল কার্ডে স্পষ্টভাবে তাসনীমুল হাসান তাজের নাম উল্লেখ থাকার পরেও কীভাবে তথ্য মন্ত্রণালয় এই ভুল করল, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ প্রসঙ্গে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের জুরি সদস্য ওয়াহিদ সুজন বলেন, "সিনেমাগুলো অনেক আগেই দেখা হয়। ফর্মে নাম মার্কিং করার সময় বা চূড়ান্ত তালিকা তৈরির ধাপে কোনো ভুল হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা দরকার। ঘটনাটি সত্যিই দুঃখজনক।"
নুসরাত ইমরোজ তিশা ও শরিফুল রাজ অভিনীত ‘রক্তজবা’ প্রেক্ষাগৃহে নয়, বরং ইমপ্রেস টেলিফিল্মের ওটিটি প্ল্যাটফর্ম আইক্রিনে মুক্তি পেয়েছিল। প্রথমবারের মতো কোনো ওটিটি কনটেন্ট জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের তালিকায় আসায় যেমন আলোচনা ছিল, এই পুরস্কার প্রত্যাখ্যানের ঘটনায় সেই আলোচনা এখন আরও তীব্র হয়েছে।
প্রকৃত চিত্রনাট্যকার তাসনীমুল হাসান তাজ জানান, ২০২২ সালেই তিনি এর চিত্রনাট্য সম্পন্ন করেছিলেন এবং বিষয়টি নিয়ে পরিচালকের সঙ্গে তাঁর আলোচনাও হয়েছিল। এখন দেখার বিষয়, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এই ভুল সংশোধন করে প্রকৃত ব্যক্তিকে পুরস্কারটি তুলে দেয় কি না।
চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, রাষ্ট্রীয় এই সর্বোচ্চ পুরস্কারের ক্ষেত্রে এমন তথ্য বিভ্রাট জুরি বোর্ড ও মন্ত্রণালয়ের পেশাদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলার অবকাশ রাখে।