news@weeklyinqilab.com|| 86-11 101 AVENUE, OZONE PARK, NY, 11416, USA
ব্রেকিং:

খেলা

টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশ বাদ: ভারতের ২০৩৬ অলিম্পিক স্বপ্নে বড় ধাক্কা?

Next.js logo

প্রকাশিত:

১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

নিউজটি শেয়ার করুন:

নাঈমা জামান স্বর্নালী: ক্রীড়াক্ষেত্রে রাজনীতির অনুপ্রবেশ ভারতের জন্য বুমেরাং হয়ে দাঁড়াতে পারে। বাংলাদেশের টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার ঘটনাটি এখন কেবল ক্রিকেটের সীমানায় সীমাবদ্ধ নেই; এটি ভারতের ২০৩৬ সালের অলিম্পিক আয়োজক হওয়ার লড়াইয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে দাবি করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান। আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) কঠোর ‘অরাজনৈতিক’ নীতির কারণেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

Thumbnail for টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশ বাদ: ভারতের ২০৩৬ অলিম্পিক স্বপ্নে বড় ধাক্কা?
ইনকিলাব

ঘটনার শুরু আইপিএলে কেকেআর থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়াকে কেন্দ্র করে, যা দ্রুত দুই দেশের রাজনৈতিক উত্তেজনায় রূপ নেয়। নিরাপত্তাশঙ্কার অজুহাতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ৪ জানুয়ারি আইসিসিকে ভেন্যু পরিবর্তনের অনুরোধ জানায়। কিন্তু আইসিসি নিজেদের অবস্থানে অনড় থেকে বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করে। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি ভারত ও শ্রীলঙ্কায় এই বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার কথা।

 

গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তর না করার পেছনে বিসিসিআইয়ের শক্তিশালী ‘লবিং’ কাজ করেছে। আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ এবং প্রধান নির্বাহী সংযোগ গুপ্তার সঙ্গে ভারত সরকারের ঘনিষ্ঠতাকেও এখানে বড় ফ্যাক্টর হিসেবে দেখা হচ্ছে।

 

ভারত যখন ২০৩০ কমনওয়েলথ গেমস নিশ্চিত করার পর ২০৩৬ আহমেদাবাদ অলিম্পিক আয়োজনের স্বপ্ন দেখছে, ঠিক তখনই এই কূটনৈতিক সংকট তৈরি হলো। গার্ডিয়ানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আইওসির একটি সূত্র জানায়, “অন্য কোনো দেশ বয়কট করতে পারে এমন ঝুঁকি থাকলে ভারতকে অলিম্পিক আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া প্রায় অকল্পনীয়।”

 

আইওসি তাদের ইতিহাসে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর। এর উদাহরণ হিসেবে সম্প্রতি ইন্দোনেশিয়ার কথা উল্লেখ করা হয়। জাকার্তায় বিশ্ব জিমন্যাস্টিকস চ্যাম্পিয়নশিপে ইসরায়েলি দলকে ভিসা না দেওয়ায় ইন্দোনেশিয়াকে ২০৩৬ অলিম্পিকের দৌড় থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।


২০২৮ লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিকে ক্রিকেট অন্তর্ভুক্ত করার মূল উদ্দেশ্য ছিল ভারতের বিশাল বাজার ধরা। তবে আইওসি স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, বাজারের চেয়ে ‘অলিম্পিক চার্টার’ বা নিয়মাবলি অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। অলিম্পিক চলাকালীন কোনো রাজনৈতিক বা ধর্মীয় মতপ্রকাশ কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।


বর্তমানে ভারত-পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক সিরিজ বন্ধ এবং আইসিসি টুর্নামেন্টেও তারা নিরপেক্ষ ভেন্যুতে খেলছে। কিন্তু অলিম্পিকের ক্ষেত্রে এমন ‘হাইব্রিড মডেল’ খাটে না। গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অলিম্পিক আয়োজনের যোগ্য হতে হলে ভারতকে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের দৃশ্যমান প্রমাণ দেখাতে হবে। কারণ, অলিম্পিক গেমসে সব দেশের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার নিশ্চয়তা আয়োজক দেশকে দিতে হয়।

বিজ্ঞাপন কর্নার

আমাদের সম্পর্কে

সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতিঃ শাহ নেওয়াজ

উপদেষ্টা সম্পাদকঃ পাভেল মাহমুদ

ইংরেজি পাতার সম্পাদকঃ ফুহাদ হোসেন

ব্যবস্থাপনা সম্পাদকঃ মোঃ বদরুদ্দোজা সাগর

প্রকাশক ও সম্পাদকঃ মোহাম্মদ জাহিদ আলম

স্টেশন ইনচার্জঃ মো: মিদুল ইসলাম মৃদুল

টেকনিক্যাল ইনচার্জঃ মো: রাশেদুজ্জামান রাজু

অনুসরণ করুন

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশ বাদ: ভারতের ২০৩৬ অলিম্পিক স্বপ্নে বড় ধাক্কা?