প্রকাশিত:
গতকাল

ইইউ নেতাদের আসন্ন বৈঠকের আগে দেওয়া এ বক্তব্যে ভন ডের লেইন স্পষ্ট করেন, ইউরোপীয় কোম্পানিগুলো বর্তমানে তীব্র মূলধন সংকটে রয়েছে এবং দ্রুত বিনিয়োগ প্রবাহ নিশ্চিত করা জরুরি। “আমাদের কোম্পানিগুলোর এখনই মূলধন দরকার। তাই চলুন, এই বছরই আমরা এটি সম্পন্ন করি,” আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশে বলেন তিনি।
চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রযুক্তি, শিল্পোৎপাদন এবং পুঁজিবাজারে যে ব্যবধান তৈরি হয়েছে, তা কমাতে কাঠামোগত পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দেন কমিশন প্রধান। তার মতে, ইইউর অভ্যন্তরীণ বাজার এখনও সম্পূর্ণভাবে একীভূত নয়; বিভিন্ন নিয়ন্ত্রক জটিলতা ও প্রশাসনিক প্রতিবন্ধকতা ইউরোপীয় ব্যবসাকে বৈশ্বিক পর্যায়ে “দৈত্যে” পরিণত হতে বাধা দিচ্ছে।
বর্তমান পরিস্থিতিকে তিনি “স্টেরয়েডের ওপর বিভক্তি” বলে আখ্যা দেন, ইঙ্গিত করে যে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে নীতিগত ও আর্থিক সমন্বয়ের অভাব প্রতিযোগিতা সক্ষমতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তার বক্তব্যে স্পষ্ট বার্তা ছিল—যদি ইউরোপ দ্রুত সংস্কার না করে, তবে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকি আরও বাড়বে।
ভন ডের লেইনের এই আহ্বান এমন সময়ে এলো, যখন ইইউ শিল্পনীতি, সবুজ রূপান্তর, প্রতিরক্ষা ব্যয় এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনে বিনিয়োগ বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করছে। তার মতে, সমন্বিত পুঁজিবাজার গঠন ও নিয়ন্ত্রক বাধা হ্রাসই হবে ইউরোপের প্রতিযোগিতা শক্তি পুনর্গঠনের মূল চাবিকাঠি।