প্রকাশিত:
গতকাল

নেত্রকোনা-৪ (মোহনগঞ্জ, মদন, খালিয়াজুরি) আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচিত হয়েছেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। তিনি এক লাখ ৬০ হাজার ৮০১ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আল হেলাল পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৮৪০ ভোট। বাবর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে এক লাখ ২০ হাজার ৯৬১ ভোট বেশি পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি তার আসনের প্রতিটি কেন্দ্রে বিজয়ী হয়েছেন।
অপরদিকে টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনে বিএনপির আবদুস সালাম পিন্টু এক লাখ ৯৮ হাজার ২১৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী হুমায়ুন কবির পেয়েছেন মাত্র ৬০ হাজার ৮৭১ ভোট।
রংপুর-২ (তারাগঞ্জ-বদরগঞ্জ) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে বিপুল ভোটে জয় পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম। তিনি এক লাখ ৩৯ হাজার ৬৮০ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মোহাম্মদ আলী সরকার পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৯১০ ভোট।
উল্লেখ্য, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ঢাকায় আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও সাবেক শিক্ষা উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন আদালত। অন্যদিকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এ টি এম আজহারুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দেন।
গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় পরিবর্তন আসে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৭ মে আপিল বিভাগ এ টি এম আজহারুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ডের রায় বাতিল করে তাকে খালাস দেন। এখন ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত তিন নেতাই সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন।