প্রকাশিত:
৩০ জানুয়ারী, ২০২৬

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি, ২০২৬) সকালে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে পাঠানো এক বার্তায় এই যুগান্তকারী সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন জানান, এই বিশেষ ব্যবস্থার আওতায় সৌদি আরব ও বাংলাদেশ রুটে মোট ৮০ হাজার টিকিট বিক্রির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই পদক্ষেপের ফলে একদিকে যেমন প্রবাসী কর্মীরা নামমাত্র মূল্যে যাতায়াত করতে পারবেন, অন্যদিকে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স আর্থিকভাবে বড় ধরনের লাভের মুখ দেখবে।
উপদেষ্টা আরও জানান, পূর্বে হজ ফ্লাইট পরিচালনার সময় ফিরতি পথে অনেক ফ্লাইট ফাঁকা আসত। এখন সেই ফাঁকা ফ্লাইটগুলো কার্যকরভাবে কাজে লাগিয়ে বিমানের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ১০০ কোটি টাকারও বেশি অতিরিক্ত আয় অর্জনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
নতুন নির্ধারিত ভাড়া ও কার্যকর হওয়ার সময়সূচি নিচে দেওয়া হলো:মদিনা/জেদ্দা - ঢাকাএকমুখী (One Way)২০,৫০০ টাকা
মদিনা/জেদ্দা - ঢাকা - মদিনা/জেদ্দারিটার্ন (Return)৪২,০০০ টাকা
কার্যকর হওয়ার তারিখ:
বাংলাদেশে আসার ক্ষেত্রে: ১৮ এপ্রিল ২০২৬ থেকে ২৫ মে ২০২৬ পর্যন্ত।
বাংলাদেশ থেকে ফেরার ক্ষেত্রে: ৩০ মে ২০২৬ থেকে ৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত।
এই উদ্যোগকে প্রবাসীবান্ধব নীতি বাস্তবায়নের একটি মাইলফলক হিসেবে অভিহিত করে উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। তবে অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে তিনি এই সেবাটি সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণের ওপর জোর দিয়েছেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, "অতীতে দেখা গেছে অনেক ইতিবাচক উদ্যোগ সঠিক পরিচর্যার অভাবে মুখ থুবড়ে পড়েছে। তাই খেয়াল রাখতে হবে এই উদ্যোগটি যেন শতভাগ কার্যকর থাকে। এই ধরনের বাস্তবমুখী সিদ্ধান্ত প্রবাসীদের জীবনযাত্রা আরও সহজ করবে।"
প্রবাসী শ্রমিকরা দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত বিমান ভাড়ার অভিযোগ করে আসছিলেন। সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের দেশটিতে কর্মরত লাখ লাখ বাংলাদেশি রেমিট্যান্স যোদ্ধা উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।