প্রকাশিত:
গতকাল
.jpg&w=3840&q=75)
পাশাপাশি আরও ১৬টি দেশের নির্দিষ্ট শহর বা এলাকা থেকে আংশিক আমদানির ওপর বিধিনিষেধ করেছে দেশটি।
সৌদি আরবের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অথরিটি এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
বিশ্ব প্রাণিস্বাস্থ্য সংস্থার (WOAH) সাম্প্রতিক প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে সৌদি আরব এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে যে, বাংলাদেশসহ নির্দিষ্ট এই ৪০টি দেশে এইচ৫এন১ (H5N1) ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। সৌদি আরবের স্থানীয় খামারগুলোকে এই মারাত্মক ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা করতেই এই আগাম সতর্কতা।
তালিকায় বাংলাদেশের পাশাপাশি রয়েছে এশিয়া, ইউরোপ এবং আফ্রিকার বেশ কিছু দেশ। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: বাংলাদেশ, ভারত, ভিয়েতনাম। ফ্রান্স, জার্মানি, পোল্যান্ড। নাইজেরিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা।
সৌদি খাদ্য ও ওষুধ কর্তৃপক্ষ (SFDA) জানিয়েছে:
"নাগরিকদের স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে এবং দেশের পোল্ট্রি শিল্পকে সুরক্ষিত রাখতে আমরা এই সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দিয়েছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত কোনো দেশ থেকে পোল্ট্রি পণ্য বা ডিম গ্রহণ করা হবে না।"
মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈশ্বিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি ও রোগতাত্ত্বিক (এপিডেমিওলজিক্যাল) হালনাগাদের ভিত্তিতে নিষিদ্ধ ও সীমিত আমদানির দেশগুলোর তালিকা নিয়মিত পর্যালোচনা করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। সর্বশেষ হালনাগাদ অনুযায়ী, কিছু নিষেধাজ্ঞা ২০০৪ সাল থেকেই কার্যকর রয়েছে, আবার কিছু নিষেধাজ্ঞা ঝুঁকি মূল্যায়ন ও আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ধাপে ধাপে যুক্ত হয়েছে।
সৌদি ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অথরিটি স্পষ্ট করেছে, অনুমোদিত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা মান পূরণ করলে তাপপ্রক্রিয়াজাত (হিট-ট্রিটেড) মুরগি এবং সংশ্লিষ্ট পণ্যের ক্ষেত্রে এই অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য নয়। এসব পণ্যের সঙ্গে অবশ্যই সরকারি সনদ থাকতে হবে, যাতে নিশ্চিত করা যায় যে, প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা ও নিউক্যাসল রোগের ভাইরাস সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করা হয়েছে এবং পণ্যগুলো রফতানিকারক দেশের অনুমোদিত স্থাপনা থেকেই এসেছে। সূত্র: গালফ নিউজ
বাংলাদেশ থেকে সরাসরি সৌদি আরবে বড় পরিসরে মুরগি রপ্তানি না হলেও, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য ও ডিমের একটি বাজার তৈরির সম্ভাবনা ছিল। এই নিষেধাজ্ঞার ফলে সেই বাজার সম্প্রসারণে বড় বাধা তৈরি হলো। তবে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশে বার্ড ফ্লু নিয়ন্ত্রণে তারা কাজ করে যাচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী পুনরায় রপ্তানি যোগ্যতা অর্জনের চেষ্টা চলছে।