প্রকাশিত:
১ ঘন্টা আগে

সম্প্রতি লেবাননের আল-মায়াদিন টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আইআরজিসি কমান্ডার হোসেন দাঘিঘি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণ করলে ইসরাইলই হবে তেহরানের প্রথম লক্ষ্য।
তিনি দাবি করেন, ইরানের সামরিক কৌশল মূলত প্রতিরোধমূলক ও আত্মরক্ষামূলক। তবে যুদ্ধ শুরু হলে এর পরিণতি হবে অনিশ্চিত এবং সংঘাতের পরিসর ব্যাপক আকার ধারণ করতে পারে বলে সতর্ক করেন তিনি।
দাঘিঘির ভাষ্য, আমাদের কৌশল প্রতিরোধ ও আত্মরক্ষার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে, যা শত্রুপক্ষের ওপর বড় ধরনের ক্ষতি চাপিয়ে দিতে সক্ষম। কিন্তু যদি যুদ্ধ শুরু হয়, তাহলে আমাদের প্রতিক্রিয়ার তীব্রতা এমন হবে যে শত্রুপক্ষ তা হিসাব করতে পারবে না এবং সংঘাত আরও বিস্তৃত হবে।
এদিকে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই মার্কিন নৌবাহিনীর ‘আব্রাহাম লিংকন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ’-এর অবস্থান পরিবর্তনের খবর পাওয়া গেছে। ইরানভিত্তিক সংবাদ সংস্থা ডব্লিউএএনএ একটি সামরিক গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, বহরটিকে দক্ষিণ ইয়েমেনের জলসীমায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
সূত্র অনুযায়ী, একাধিক ডেস্ট্রয়ার ও একটি সহায়ক সাবমেরিনসহ মার্কিন এই নৌবহরটি বর্তমানে ইয়েমেনের সোকোত্রা দ্বীপের পূর্বে এডেন উপসাগরের কাছে মোতায়েন রয়েছে। এই অবস্থান থেকে বহরটি ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় বন্দর চাবাহার থেকে প্রায় ১ হাজার ৪০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে, যা আগের তুলনায় ইরানের উপকূল থেকে আরও দূরে।
ইরানি কর্মকর্তারা যখন ওই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধির বিষয়ে সতর্কবার্তা দিচ্ছেন, ঠিক সেই সময়েই মার্কিন যুদ্ধজাহাজের অবস্থান পরিবর্তনের এই খবর সামনে এলো।
তবে এ বিষয়ে মার্কিন কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি এবং বিস্তারিত তথ্যও প্রকাশ করা হয়নি।
উল্লেখ্য, এর আগে স্থানীয় সময় সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, একটি বড় মার্কিন নৌবহর ইরানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।