প্রকাশিত:
গতকাল
.jpg&w=3840&q=75)
এই নথি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, বিশেষ করে ফুটবলের জনপ্রিয় ফোরামগুলোতে রিবেরির সম্পৃক্ততা নিয়ে চলছে তুমুল আলোচনা ও সমালোচনা।
ডিওজে প্রকাশিত নথিতে ৩০ লাখ পৃষ্ঠার পাশাপাশি প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার ছবি এবং ২ হাজার ভিডিও রয়েছে। নথির ২৬ নম্বর পৃষ্ঠায় রিবেরির নাম প্রথমবার উঠে আসে।
এক অভিযোগকারী দাবি করেছেন, একটি বাগানে কথিত ঘটনার সময় রিবেরি তাকে আঘাত করার চেষ্টা করেছিলেন, যা পরবর্তীতে পুলিশের হস্তক্ষেপে শান্ত হয়।
নথিতে করিম বেনজেমার আইনজীবী সিলভাঁ কোরমিয়ের নামও উঠে এসেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, কোরমিয়ের ও রিবেরি একসঙ্গে অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের খুঁজছিলেন। তবে এই অভিযোগগুলো কয়েক দশক পুরোনো তথ্যের ভিত্তিতে সংরক্ষিত।
আইন বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞরা এই স্পর্শকাতর বিষয়টি নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তাঁদের মতে, এপস্টেইন ফাইলের নথিতে নাম থাকা মানেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অপরাধী— বিষয়টি এমন নয়। ডিওজে সতর্ক করেছে যে, অনেক তথ্যই যাচাইহীন বা তৃতীয় কোনো পক্ষের বর্ণনার ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যা আদালতে প্রমাণিত হয়নি। এই নথিতে বিশ্বের শত শত পরিচিত ও প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম রয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে কোনো আনুষ্ঠানিক আইনি অভিযোগ নেই।
রিবেরির জন্য এ ধরনের বিতর্ক নতুন কিছু নয়। ২০১০ সালে করিম বেনজেমার সঙ্গে এক অপ্রাপ্তবয়স্ক যৌনকর্মীর সম্পৃক্ততার অভিযোগে তিনি দীর্ঘ তদন্তের মুখোমুখি হয়েছিলেন। তবে ২০১৪ সালে উপযুক্ত প্রমাণের অভাবে ফরাসি আদালত সেই মামলাটি খারিজ করে দেয়। বর্তমান নথিতে রিবেরির নাম থাকা সত্ত্বেও নতুন করে কোনো আইনি প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার সম্ভাবনা এখনই দেখছেন না বিশেষজ্ঞরা।
১৯৯৯ সালে পেশাদার ফুটবলে পা রাখা রিবেরি তাঁর ক্যারিয়ারের স্বর্ণালী সময় কাটিয়েছেন জার্মান ক্লাব বায়ার্ন মিউনিখে।
এপস্টেইন নথির ব্যাপকতা এবং এতে থাকা অভিযোগগুলো অত্যন্ত স্পর্শকাতর। রিবেরির মতো বিশ্বখ্যাত তারকার নাম আসায় তাঁর ভাবমূর্তিতে বড় ধরনের আঘাত হানলেও, আইনি ভিত্তি ছাড়া তাঁকে এখনই দোষী সাব্যস্ত করার সুযোগ নেই।