প্রকাশিত:
গতকাল

চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে টস জিতে বোলিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পাকিস্তান অধিনায়ক সালমান আলী আগা। ফলে টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নামছে ভারত। ম্যাচ শুরুর আগেই করমর্দনের অভাব নতুন করে যোগ করেছে উত্তেজনার রসদ।
এই লড়াই মাঠে গড়ানোর পথ ছিল কাঁটায় ভরা। বাংলাদেশ ইস্যুতে পাকিস্তানের ম্যাচ বয়কটের ঘোষণা, আইসিসি–পিসিবি–বিসিবির টানা বৈঠক, সব মিলিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল তুঙ্গে। শেষ পর্যন্ত সব নাটকীয়তা পেরিয়ে বহুল প্রতীক্ষিত ভারত–পাকিস্তান মহারণ আজ বাস্তবে রূপ নিয়েছে।
সাম্প্রতিক আইসিসি ইভেন্টগুলোতে পরিসংখ্যান বলছে ভিন্ন গল্প। ওয়ানডে বিশ্বকাপে ৮-০ ব্যবধানে এগিয়ে ভারত; সবশেষ ২০২৩ আসরে আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়াম-এ একতরফা জয়ে আধিপত্য দেখিয়েছিল টিম ইন্ডিয়া।
তবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ছবিটা পুরো একমুখী নয়। ২০২১ সালে দুবাইয়ে ১০ উইকেটের ঐতিহাসিক জয়ে পাকিস্তান ভেঙেছিল বিশ্বমঞ্চের জয়-খরা। আবার ২০২২-এ মেলবোর্নে কোহলির অতিমানবীয় ইনিংসে নাটকীয় হার, আর ২০২৪-এ নিউ ইয়র্কের কঠিন পিচে কম রানের ম্যাচেও ভারতের দাপট—সব মিলিয়ে বড় মঞ্চে পাকিস্তানের ব্যর্থতা যেন বারবার ফিরে আসে।
আজকের ম্যাচ তাই শুধু দুই দলের নয়, দুই ইতিহাসেরও লড়াই। মাঠে বন্ধুত্বের হাসি থাকলেও করমর্দনের অনুপস্থিতি মনে করিয়ে দিচ্ছে—এই দ্বৈরথে আবেগ, অহংকার আর চাপ, সবকিছুই বাড়তি। এখন দেখার পালা, টস জিতে বোলিং নেওয়া পাকিস্তান কতটা কাজে লাগাতে পারে শুরুর সুবিধা, আর টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ভারত কতটা সামলাতে পারে এই চাপ, সেটাই দেখার বিষয়।