প্রকাশিত:
গতকাল

স্থানীয় তরুণদের সৃজনশীল উদ্যোগে গড়ে ওঠা এই মিনারে ফুলও সংগ্রহ করা হয়েছে প্রকৃতি থেকে। স্বল্প ব্যয়ে ও পরিবেশবান্ধব উপায়ে নির্মিত এই স্থাপনা এলাকাবাসীর মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
শহীদ মিনার নির্মাণের ভাবনা দেন জন মহম্মদ, পিয়াল পিউ, প্রিয় মনি চাকমা, নুর আলম, চিশুনা ত্রিপুরা ও কৃত্তি রঞ্জন ত্রিপুরা। তাদের উদ্যোগ বাস্তবায়নে সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিল পিঠাছড়া পাঠাগার। সংগঠনটির সভাপতি মাহফুজ রাসেল ও সাধারণ সম্পাদক কাঞ্চনমালা ত্রিপুরা জানান, ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা থেকেই এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় সীমিত সম্পদের মধ্যেও তরুণদের অংশগ্রহণে প্রাকৃতিক উপকরণে শহীদ মিনার নির্মাণ দেশপ্রেম ও সচেতনতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
তারা আরও বলেন, নতুন প্রজন্মের মাঝে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ও চেতনা ছড়িয়ে দিতে পাঠাগারটি নিয়মিত সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক কর্মসূচি আয়োজন করে। শহীদ দিবস উপলক্ষে পরিবেশবান্ধব শহীদ মিনার নির্মাণ সেই ধারাবাহিক প্রচেষ্টারই অংশ। ভবিষ্যতেও ভাষা শহিদ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রাখতে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।
উল্লেখ্য, পিঠাছড়া পাঠাগারের পাশাপাশি দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে পিঠাছড়া চিকিৎসা কেন্দ্র। স্থানীয় জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে এমন উদ্যোগ এলাকার সামাজিক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে।