প্রকাশিত:
গতকাল

রোজার সময়ে সবচেয়ে বেশি চাহিদা থাকে মাল্টা ও আপেলের। কিন্তু বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি মাল্টা বিক্রি হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৬০ টাকায় এবং আপেল বিক্রি হচ্ছে ৩৬০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত। অথচ মাত্র কয়েক দিন আগেও এসব ফলের দাম কেজিপ্রতি ৪০ থেকে ৬০ টাকা কম ছিল। এছাড়া খেজুরের বাজারেও চড়া ভাব বজায় রয়েছে।
বিদেশি ফলের পাশাপাশি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে দেশি ফলের দামও। ইফতারের নিত্যসঙ্গী কলার দাম ডজনপ্রতি ৩০ টাকা বেড়ে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায় ঠেকেছে।
সাগর ও সবরি কলা: ১৫০-১৬০ টাকা (ডজন)
বাংলা কলা: ১০০-১২০ টাকা (ডজন)
তরমুজ: ৭০-৯০ টাকা (কেজি)
পেয়ারা: ১০০-১৫০ টাকা (কেজি)
পেঁপে: ৮০-১০০ টাকা (কেজি)
মৌসুমি ফল বরইয়ের দামও জাতভেদে ১২০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত চাওয়া হচ্ছে।
বাজার পরিস্থিতির বিষয়ে রামপুরার এক খুচরা ফল বিক্রেতা জানান, পাইকারি বাজারে ফলের সরবরাহ পর্যাপ্ত নয়। এর ওপর নির্বাচনের পরবর্তী প্রভাব এবং পরিবহন খরচ কয়েক গুণ বেড়ে যাওয়ায় তাঁদেরও বেশি দামে ফল কিনতে হচ্ছে। ফলে খুচরা পর্যায়ে দাম না বাড়িয়ে উপায় নেই।
রাজধানীর বাজারে ফল কিনতে আসা মহিউদ্দিন চৌধুরী নামে এক ক্রেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “রোজার আগে সব জিনিসের দাম বেড়ে যাওয়া যেন নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। সরকারের কঠোর নজরদারি ছাড়া এই লাগামছাড়া দাম কমানো সম্ভব নয়।”
বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, পবিত্র রমজান মাসে অসাধু ব্যবসায়ীরা যাতে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়াতে না পারে, সে জন্য নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে।