প্রকাশিত:
গতকাল

সড়ক পরিবহন, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের দেওয়া বক্তব্যের প্রতি ইঙ্গিত করে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান প্রশ্ন তুলেছেন, নবগঠিত সরকারের মন্ত্রীর মাধ্যমে চাঁদাকে জাতীয়করণের ঘোষণা দেওয়া হলো কিনা।
নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান লেখেন, ‘তাহলে কি নবগঠিত সরকারের সড়ক ও সেতুমন্ত্রীর মাধ্যমে চাঁদাকে জাতীয়করণের ঘোষণা দেওয়া হলো? তাহলে কীভাবে দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরা হবে? ব্যাকরণ কিছুই বোঝা যাচ্ছে না। সূচনাতেই বাংলাদেশ কোন দিকে যাচ্ছে?’
জামায়াত আমীর অভিযোগ করেন যে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জনগণের নিরাপত্তা দেওয়ার চেয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমনে বেশি ব্যস্ত। তিনি বলেন, “যখন চোর-ডাকাত ও চাঁদাবাজদের ধরার কথা, তখন আপনারা নিরপরাধ রাজনৈতিক কর্মীদের ধরপাকড় করছেন। সমাজ আজ এক অস্থির সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।”
জামায়াত আমীর প্রধান কিছু বিষয় দাবী করেন। যেমন:
অবিলম্বে পরিবহন সেক্টর ও নিত্যপণ্যের বাজার থেকে রাজনৈতিক সিন্ডিকেট ও চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে।
রমজান মাস সামনে রেখে চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে হবে।
রাজনৈতিক সভা-সমাবেশের ওপর অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়ে সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে সড়ক পরিবহন, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী রবিউল আলম বলেন, ‘সড়কে পরিবহনের চাঁদা যেটা বলা হয়, সেভাবে আমি চাঁদা দেখি না। মালিক সমিতি, শ্রমিক সমিতি আছে, তারা তাদের কল্যাণে এটা ব্যয় করে। এটা অলিখিত বিধির মতো। চাঁদা আমি সেটিকে বলতে চাই, যেটি কেউ দিতে চায় না বা বাধ্য করা হয়।’
চাঁদার এই নতুন সংজ্ঞায়ন করে গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন রবিউল আলম।